Ami Mishuk | আমি মিশুক Home
General
Sudip Joarder

গল্পঃ নব পথের পাঁচালী

গল্প নব পথের পাঁচালী কে মরবে? অপু না দুর্গা? দুর্গা একবার মরেছে,তাই আবার দুর্গার মৃত্যু হোক আমি চাই না। তাহলে কি অপু? হেসে ফেলি নিজের অজ্ঞতায়। যাকে নিয়ে উপন্যাস,মারা যাবে

পুরো পড়ুন>>
গল্পঃ ঘুড়ি
Golpo
Sudip Joarder

গল্পঃ ঘুড়ি

ঘুড়ি                                           ঘুড়িটা কাটা পড়েছে। তিনদিন হল।কাটা ঘুড়িটা ঝুলছে পবনদের শ্যাওড়া গাছে। কিন্তু কাটা ঘুড়িটা নিয়ে আসায় কোনও গা নেই তিলুর। বিকেলবেলায় বাড়ির সামনের ছোট্ট মাঠটায় তিলুর ঘুড়ি আজ তিনদিন নেই। তবু ঘুড়ি-অন্ত প্রাণ ছেলেটা

পুরো পড়ুন>>

ক্যাডবেরি

(আজ কাজিন ডে। একটা গল্প। ছোটদের) ক্যাডবেরি এই পৃথিবীতে ঋতমের একটাই শত্রু। বাদল। বাদলকে দেখলেই ঋতমের মাথায় রক্ত চড়ে যায়। ওর চোখেমুখে এলোপাথারি ঘুষি চালাতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু শেষ অবধি

পুরো পড়ুন>>
গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক(বরণীয়দের না-ক্রিয়া)
Golpo
Sudip Joarder

গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক(বরণীয়দের না-ক্রিয়া)

 গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক বরণীয়দের না-ক্রিয়া বিদ্যাসাগর তখন চন্দননগরে অবস্থান করছেন।  হিতবাদীর সহ সম্পাদক চন্দননগর নিবাসী যোগেন্দ্রকুমার চট্টোপাধ্যায় গিয়েছেন বিদ্যাসাগরের কাছে। যোগেন্দ্রকুমারের তখন যুবক বয়স। পিতার সূত্রে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে পরিচয়। প্রায় প্রায়ই চলে

পুরো পড়ুন>>
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
General
Sudip Joarder

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ছেলেবেলাতেই। তাঁর কাছেই প্রথম জেনেছিলাম,যে-দেশের তরুলতা সকল দেশের চেয়ে শ্যামল সেই দেশটার নাম বাংলাদেশ। মানে, ‘আমাদেরই বাংলা রে!’ তারপর কৈশোরের কিশলয় পর্ণে পরিণত হবার

পুরো পড়ুন>>
গল্পঃ একটা চুরি
Golpo
Sudip Joarder

গল্পঃ একটা চুরি

  গল্প    একটা চুরি               চোর ঢুকেছিল এটা স্পষ্ট। কিন্তু কী চুরি হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।  তবে ঘর লন্ডভণ্ড।না,আলমারি খোলেনি কেউ।ড্রেসিং টেবিলের কাচ সরিয়েও কেউ দেখেনি ওখানে কী আছে। শোকেসের নিচের

পুরো পড়ুন>>

কথাঃ আবোলতাবোল (‘বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না…’)

কথাঃ আবোলতাবোল  বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে,ধরতে একটু বাধো বাধো ঠেকেই। তবু না ধরেও পারা যায় না। কারণ অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে শুধু বিরক্তিকর অভিজ্ঞতাই হয় না,অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবরও মাঝেসাঝে মিলে যায়। লকডাউনের বাজারে সেদিন সন্ধেয় একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন এল। ইতস্তত করে ধরে যেই বলেছি ‘হ্যালো’,অমনি একটা জড়ানো কাঁপা-কাঁপা পুরুষ গলার আবৃত্তি-‘জীবন গিয়াছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার…’।‘রং নাম্বার’ বলে কাটতে যাব ফোনটা,এমন সময় ওই জড়ানো কন্ঠ বলে ওঠে-‘চিনতে পারলি  না!আমি দীপ্তেন্দু,-নবীন। ফেসবুক থেকে ফোননম্বর  যোগাড় করে  ফোন করছি।’   মুহূর্তেই হু হু করে ছুটে চলে এল বাল্যকাল ;‘হরিহর আত্মা’ দুই কিশোরের বন্ধুত্ব। খুলে গেল হৃদয়ের  উদারা-মুদারা। কে যেন বলেছিল, বন্ধুত্বের চেয়ে বড় প্রেম আর নেই। মনে হল কথাটা মিথ্যে নয়। যাঁরা একেলা জগৎ ভুলে পড়ে থাকেন আপন সংসার-কূলে,তাঁদের কথা আলাদা। কিন্তু গড়পড়তা বেশিরভাগ মানুষেরই ,পরিবার,আত্মীয়স্বজন যতই থাক বাইরের পৃথিবীটা চিনতে জানতে সর্বোপরি বেশ কিছু অনুভূতি শেয়ার করতে বন্ধু ছাড়া চলে কি! হয়ত এ সম্পর্কও কখনও প্রতারণার ফাঁদ  পাতে। ঈর্ষায় জর্জরিত হয়। লোভের খপ্পরে পড়ে। অনেকসময়  চলে

পুরো পড়ুন>>

প্রিয় লেখক (শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়)

 সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আমি যত্ন করিয়া লিখি,লেখাকে চিত্তাকর্ষক করিবার চেষ্টা করি। তাই প্রথম পাঠে বোধহয় লেখার চাকচিক্যই চোখে পড়ে। চাকচিক্য ছাড়া তাহাতে যে আর কিছু আছে তাহা কেহ লক্ষ্য করেন না। অনেকে পরে আবার লেখাটি পড়িলে তাহার অন্তর্নিহিত বস্তুটি চোখে পড়ে।‘ নিজের লেখা সম্পর্কে ডায়েরিতে একথা লিখেছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। তারিখ ৪ঠা জানুয়ারি,১৯৫২। ওই একই লেখায় তিনি জানিয়েছিলেন,তাঁর লেখা পাঠকদের আকৃষ্ট করার কারণ,তাতে রয়েছে একটা immediate appeal যা মোহিতলালের ভাষায় ‘ত্বরিতানন্দ’। আসলে একজন লেখক টিকে থাকেন লেখার মধ্যে দিয়ে নিজের বিশ্বাস,আদর্শকে সঠিক ও সুন্দরভাবে প্রতিফলিত করার মাধ্যমে। একেই হয়ত শরদিন্দু বলতে চেয়েছেন লেখার ‘অন্তর্নিহিত বস্তু’। এই ‘অন্তর্নিহিত বস্তু’ গোয়েন্দা  কাহিনি বা ভৌতিক কাহিনিতে সেভাবে ফুটিয়ে তোলা যায় না। এরজন্য দরকার পড়ে অন্যধরণের লেখা। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে এই অন্য ধরণের লেখা হল ইতিহাসের কাহিনি। এর  মধ্যেই তিনি তাঁর জীবনচেতনা পরিস্ফুট করার চেষ্টা করেছেন। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখালেখি শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে। আর তাঁর জন্ম সেই বাংলাসাহিত্যের জন্য খুব পয়মন্ত সাল ১৮৯৯ এ। ১৮৯৯ সালটি পয়মন্ত কেননা এই সাল  ধারণ করে আছে শরদিন্দুর সঙ্গে  জীবনানন্দ ও নজরুলের জন্মতারিখ। শরদিন্দু জন্মেছিলেন ৩০ মার্চ,উত্তর প্রদেশের জৌনপুর শহরে। বাবা তারাভূষন বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন মুঙ্গেরের ডাকসাইটে উকিল। ম্যাট্রিক পাশ করেই শরদিন্দু চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতায় কেটেছে ১৯১৫ থেকে ১৯১৯ সাল অব্দি। বিএ পাশ করেন কলকাতা থেকে, ল তেও ভর্তি হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইন পাশ করেন পাটনা থেকে। কবিতা দিয়ে সাহিত্যের যাত্রাপথ শুরু। একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশ করেন-‘যৌবন স্মৃতি’। পাকাপাকিভাবে লেখায় আসেন ১৯২৯ সালে। ছোটবেলা থেকেই ডিটেকটিভ গল্পের পোকা ছিলেন। দেশি বিদেশি গোয়েন্দা কাহিনি গিলতেন গোগ্রাসে। কলকাতায় পড়াকালীন শহুরে মানুষজনকে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করছেন। লিখতে এসে  ভাবলেন,গোয়েন্দা কাহিনি লিখলে কেমন হয়। লিখতে পারবেন,এ বিশ্বাস ছিল। ১৯৩৩ এ শুরু করলেন প্রথম গল্প ‘পথের কাঁটা’ দিয়ে। ‘পথের কাঁটা’ সহ প্রথম তিনটি গল্প ছাপা হল ‘মাসিক বসুমতী’তে। বাংলা সাহিত্যের পাঠক সাদরে গ্রহণ করল গোয়েন্দা ব্যোমকেশ বক্সীকে। নিজে বন্দ্যোপাধ্যায়,কিন্তু গোয়েন্দা বক্সী,এ নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন-‘আমার ধারণা কায়স্থরা ব্রাহ্মণদের চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধি ধরে।’ শরদিন্দুর গোয়েন্দা কাহিনি তাঁর লেখার প্রসাদগুণে নিছক গোয়েন্দা-কাহিনি হয়ে থাকল না। হয়ে উঠল সামাজিক উপন্যাস। কিন্তু তবু,শুধু গোয়েন্দা কাহিনি নিয়ে শরদিন্দুর মত শক্তিশালী লেখক এগিয়ে যাবেন,তা হতে পারে না। গোয়েন্দা কাহিনির পাশে ছোটবেলা থেকেই শরদিন্দুর প্রিয় ছিল ঐতিহাসিক কাহিনি।  রমেশচন্দ্র দত্তের ‘রাজপুত জীবন সন্ধ্যা’, ‘মহারাষ্ট্র জীবন প্রভাত’ পড়েছিলেন মুগ্ধ হয়ে। এরপর   বঙ্কিমচন্দ্র পড়ে অভিভূত হয়ে গেলেন। গোয়েন্দা কাহিনির পাশাপাশি এবারে চলল পুরোদমে ঐতিহাসিক উপন্যাস,গল্প লেখা। শরদিন্দুশরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন-‘ইতিহাসের গল্প লিখেই বেশি তৃপ্তি পেয়েছি। মনে কেমন একটা সেন্স অব ফুলফিমেন্ট হয়।’  কিন্তু কেমন হল তাঁর ঐতিহাসিক উপন্যাস? সুকুমার সেন লিখেছেন-‘আগেকার লেখকদের মতো  শরদিন্দুবাবু দূরবীনের চোঙার মধ্য দিয়ে কিম্বা নাকে দূরদৃষ্টির চশমা এঁটে ইতিহাস হাতড়াননি বা খোঁজ  চালাননি। ইনি যেন চোখে কন্ট্যাকট লেন্স লাগিয়ে ইতিহাসকে হাতের নাগালে পেয়েছিলেন। …দূরের দৃশ্যপটকে নিকটে এনে দূরের মানুষকে কাছের করতে পেরেছেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।’  সত্যিই তাই। যেজন্য যে ঐতিহাসিক কাহিনি বঙ্কিমচন্দ্রের হাতে একদা বর্ণময় হয়েছিল,শরদিন্দুর হাতে তা হল গল্পময়। স্বাভাবিকভাবেই গল্পপ্রিয় বাঙালি তাঁর ঐতিহাসিক রচনা গ্রহণ করল পরম সমাদরে। শুধু সেদিন নয়। ব্যোমকেশ- কাহিনির পাশে বাঙালি আজও পড়ে তাঁর ‘গৌড়মল্লার’ ‘তুঙ্গভদ্রার তীরে’ ইত্যাদি ঐতিহাসিক রচনা। সাধারণত গোয়েন্দা-কাহিনির লেখকদের গোয়েন্দার জনপ্রিয়তায় চাপা পড়ে যায় তাঁর অন্যান্য সাহিত্যকীর্তি। যেমনটা হয়েছিল দীনেন্দ্রকুমার রায়ের ক্ষেত্রে।  দীনেন্দ্রকুমারের রবার্ট ব্লেকের গোয়েন্দা কাহিনির জনপ্রিয়তার আড়ালে তাঁর জীবদ্দশাতেই লোকে বিষ্মৃত হয়েছিল তাঁর অনুপম সাহিত্যকীর্তি-‘পল্লীচিত্র’,

পুরো পড়ুন>>
Kotha-Bangla-Sahitte-Bhut
General
Sudip Joarder

কথাঃ বাংলাসাহিত্যে ভূত (Bangla sahitye bhut)

কথা বাংলাসাহিত্যে ভূত ‘ভূতের গল্প’র শুরুতে উপেন্দ্রকিশোর লিখেছেন, ‘আমি ভূতের গল্প ভালবাসি। তোমরা পাঁচজনে মিলিয়া ভূতের গল্প কর,সেখানে আমি পাঁচ ঘন্টা বসিয়া থাকিতে পারি।’ শুধু লেখক উপেন্দ্রকিশোর নন,ভূতের গল্প বিষয়ে

পুরো পড়ুন>>
কথাঃ আবোলতাবোল (আমার বাংলাদেশ)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল (আমার বাংলাদেশ)

  কথাঃ আবোলতাবোল আমার বাংলাদেশ মৈমনসিংহ,কিশোরগঞ্জ,নেত্রকোনা,পূর্বধলা ,কালদুয়ার – নামগুলো ছোটবেলাতে আমাদের চারপাশে ঘুরত,পাক খেত। কখনও বাবা সান্ধ্য মজলিসে বসে হারিয়ে যেতেন ফেলে আসা ওইসব জায়গায় , আবার কখনও ঘুম না

পুরো পড়ুন>>
গল্পঃ ভদ্র অভদ্র,Bhodro Abhodro
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ ভদ্র অভদ্র,Bhodro Abhodro

গল্প  গল্প ভদ্র অভদ্র   ভদ্র হবার অনেক জ্বালা। রাগ হলেও খারাপ কথা বলা যায় না। সারাদিনে ক্রমাগত রাগ গিলে যেতে হয়। তারপর রাত্রে বিছানায় শুয়ে শুধু ছটফট আর ছটফট। সত্যি কী

পুরো পড়ুন>>

গল্প (হারমোনিয়াম)

ছোটদের গল্প     হারমোনিয়াম ·           ঘরে চোর ঢুকেছে। আওয়াজ হচ্ছে খুটখাট। ঘরে রাস্তার আলো এসে পড়ে। তাই চোরকে দেখা কঠিন নয়। কিন্তু ডুগডুগি আর খঞ্জনী ঘুমে কাদা। হঠাৎ বইয়ের তাকটায় হোঁচট খায়

পুরো পড়ুন>>